July 12, 2020, 7:17 am

News Headline :
চরফ্যাশনেে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাজে অনিয়ম গাজীপুরের টঙ্গী বাজার এলাকা হ’তে বিদেশী মদ, বিদেশী বিয়ার এবং প্রাইভেটকারসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার স্থানীয় নেতাদের সহযোগীতায় বস্তি উচ্চেদের চেস্টা উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বস্তিবাসিদের বেলা অবেলায় গাবতলীতে তারেক রহমানের পক্ষে করোনা’য় আক্রান্ত পরিবার’কে মৌসুমী ফল দিলেন ছাত্রদল নেতা বিপ্লব ভাড়াটিয়া সেজে অপহৃত শিশু আব্দুল্লাহ(০৫) কে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার\ অপহরণকারী চক্রের মূল পরিকল্পনাকারীসহ ০২ সদস্য গ্রেফতার করোনা টেস্টে প্রতারণার কথা জানতেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি! দাবি জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর ভোলায় সাপের কামড়ে এক নারীর মৃত্যু সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে রায়গঞ্জ উপজেলা মডেল প্রেস ক্লাব উদ্বোধন এই তোমার পৃথিবী! ———– সাম্য
যশোরের আবাসিক হোটেল গুলোতে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা

যশোরের আবাসিক হোটেল গুলোতে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা

Spread the love

মির্জা বদরুজ্জামান টুনু, যশোর প্রতিনিধি :

যশোর শহরের অধিকাংশ হোটেলে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা। আবাসিক হোটেলের নামে পরিচিতি থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে হোটেলের আড়ালে চলে আসছে অনৈতিককাজ। হোটেল গুলো এখন মিনিপতিতালয়ে পরিণত হয়েছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় এই রমরমা দেহব্যবসা চললেও অজ্ঞাত কারনে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। আর এই অবৈধ পতিতালয়ে উঠতি বয়সী ছেলেদের আনাগোনাই বেশি। বিশেষ করে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা। এতে ধ্বংস হচ্ছে যুব সমাজ।
সূত্র জানায়, শহরের রেল বাজার এলাকায় হোটেল শাহনাজ, হোটেল শাহিন, শহরের বড়বাজার এলাকার পলাশ,মোমিননগর মার্কেটের যশোর হোটেল ও যশোর আবাসিক হোটেল ,রেলগেট এলাকার (পুরাতন বেনাপোল স্ট্যান্ড) হোটেল শাহরিয়ারসহ যশোর মণিহার এলাকার বেশ কিছু হোটেলে ২৪ ঘন্টা মেয়ে রেখে দেহ ব্যবসা চলছে। এসব হোটেলে যশোরের বিভিন্ন উপজেলার পাশাপাশি পাশ্ববর্তী জেলার মেয়েরা নানা প্রলোভনে পড়ে দেহ ব্যবসায় লিপ্ত হচ্ছে। এ ব্যবসায় যারা জড়িত তাদের মধ্যে রয়েছে, শিলা, মলি, বৃষ্টি, পপি, রাণি, বিউটি, আয়েশা, বৌদি, পলি, নাজমা, বিপাশা, মনি, নিলা, বেবিসহ অর্ধশত মেয়ে। খদ্দের প্রতি টাকা নেওয়া হয় ৫০০ থেকে ৭০০ টাকাপর্যন্ত। আর কাজ প্রতি মেয়েরা পায় মাত্র ১০০ থেকে ২০০ টাকা। বাকী টাকা হাতিয়ে দিচ্ছে দালাল চক্রের সদস্যরা। এসব হোটেলে মাদক দ্রব্য সেবনেরও সুব্যবস্থা রয়েছে। এর জন্য আলাদা করে টাকা নেওয়া হয় খদ্দেরদের কাছ থেকে।
যার একটি বড় অংশ কোতয়ালি থানার ওসি, সদর পুলিশ ফাঁড়ি, চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ি, ডিবির ওসি, সিআইডি ও মিডিয়া কর্মীদের নামে ভাগবাটোয়ারা দেখানো হয়। তবে এ বিষয়ে কাতয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ অপূর্ব হাসান জানান, যশোরে একাধিক লাইসেন্সধারী পতিতা পল্লি রয়েছে। এসব পতিতাপল্লেিত প্রায় ২/৩শ’ মেয়ে লাইসেন্স নিয়ে পতিতা বৃত্তি করছে। এর বাইরেও বহু হোটেলে দেহ বাসসা হচ্ছে বলে শুনেছ্ িবেশ কয়েকবার কয়েকটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে খদ্দেরসহ পতিতাদের আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছ্ েতবে আইনের ফাঁক ফোঁকর দিয়ে তারা বের হয়ে পুনরায় ওই পেশায় নিযুক্ত হচ্ছ্ েনতুন নতুন মেয়েরা নানা প্রলোবনে পড়ে ওই খারা কাজে জড়িত হচ্ছ্ েবিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। তবে অর্থ ভাগাভাগির বিষয়টি তিনি বা তার কোন সহকর্মী জড়িত নয়। এটা দালালদের কাজ বলেই তার কাছে মনে হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসব অবৈধ দেহ ব্যবসায় জড়িতরা ভ্রাম্যমাণ পতিতা। এদের বড়ধরনের নেটওয়ার্ক আছে। বিভিন œসময়ে এলাকায় পরিবেশ-পরিস্থিতিবুঝে এই অবৈধ ব্যবসা করে।
শাহনাজ আবাসিক হোটেলে দিনের পর দিন চলছে এই রমরমা দেহ ব্যবসা। এখানে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া উঠতি বয়সী তরুণসহ বিভিন œবয়সের মানুষের আনাগোনা রয়েছে।
সূত্র জানায়, হোটেলে মালিকরা সব সময় থাকে ধরা ছোয়ার বাইরে। তারা ম্যানেজার রেখে পর্দার আড়াল থেকে নারীদের দিয়ে পতিতা বৃত্তি চালিয়ে আসছেন। যে কোনো সময়ে হোটেলে অভিযান চালালে শিক্ষার্থীসহ বভিন্ন ধরনের নারীর দেখা মিলবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com