May 30, 2020, 5:01 pm

কোনোক্রমেই মোদিকে আসতে দেয়া উচিত হবে না

কোনোক্রমেই মোদিকে আসতে দেয়া উচিত হবে না

Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক

কোনোক্রমেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আসতে দেয়া উচিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও অযৌক্তিকভাবে বিদ্যুৎ ও পানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি একথা বলেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ভারতে আজ সব জায়গায় হত্যাযজ্ঞ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা চলছে- এর মূলহোতা হচ্ছে নরখাদক নরেন্দ্র মোদি। তাকে কোনোক্রমেই বাংলাদেশে আসতে দেয়া উচিত হবে না। ভারতে করোনাভাইরাস আক্রমণ করছে, বাংলাদেশে হয়নি। তাই নরখাদক মোদি বাংলাদেশে আসলে তার সঙ্গে করোনাভাইরাস আসতে পারে। এ বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকা দরকার।

বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য ১১ তারিখ আপনাদের আন্দোলন যুক্তিসঙ্গত, তার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে নরেন্দ্র মোদি আসার বিরুদ্ধে কথা বলুন। তাহলে দেখবেন জনগণ আপনাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, ৭ মার্চ নিঃসন্দেহে স্বাধীনতার সূচনা হয়েছিল। তবে মনে রাখতে হবে ৭ মার্চ এক ব্যক্তির ভাষণ নয়। ৭ মার্চের ভাষণ তৈরি করেছিলেন কামাল হোসেন, তাজউদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম এরা সবাই মিলে। সবচেয়ে বড় অবদান ছিল সিরাজুল আলম খানের। যিনি যোগ করেছিলেন এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম সেই কথাটা শেখ মুজিবুরের মুখ দিয়ে বের হয়েছিল কিন্তু আওয়ামী লীগ তার কথা আজ বলে না।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে জাফরুল্লাহ বলেন, কাউকে ছোট করে দেশ বড় হয় না। প্রধানমন্ত্রী আপনি একটা ভুল কথা বলেছেন যে, কোনো মেজরের বাঁশির ফুঁ-তে স্বাধীনতা হয় না। সে সময় সেই বাঁশির ফুঁ-টাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যেমন- ৭ মার্চ সবাইকে আকর্ষিত করেছিল। তেমনি সেই সময়ে দেশবাসী অপেক্ষা করেছিল কোনো মেজরের বাঁশির ফুঁ-র, আর তারা ঝাঁপিয়ে পড়বে। আর সেই মেজরের বাঁশির ফুঁ-তেই সবাই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। ৭ মার্চ ও ২৭ মার্চের ঘোষণার মধ্যে খুব বেশি ফারাক নেই।

তিনি আরও বলেন, সবাইকে সম্মান করা শিখুন। জিয়াউর রহমানকে ছোট করে শেখ মুজিব বড় হবে না। দিনের আলো দেখতে চেষ্টা করুন। ভারতকে চিনতে শিখুন। মোদির আসাকে বাতিল করুন। তা না হলে দেখবেন ১৭ মার্চ তার (মোদি আসার) প্রতিবাদে মানুষ রাস্তায় নামবে। আপনার পুলিশকে সংযত হয়ে থাকতে বলুন, তা না হলে দেশে রক্তক্ষয় মারামারি হবে এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

তিনি বলেন, আমরা গণতন্ত্রকামী মানুষ গণতন্ত্র চাই এবং ভারতের আধিপত্য চায় না। আমরা সিকিম নয় তাই ভারত সাবধান, তোমাদের কপালে দুঃখ আছে।

মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত-এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজ উদ্দিন, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য লায়ন মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার, কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com