শনিবার, ২০ Jul ২০১৯, ১০:২৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
৪১ প্রতিষ্ঠানের পাস করেনি কেউ উচ্চ মাধ্যমিকে পাসের হার ৭৩.৯৩% ১৮ জুন কটিয়াদী উপজেলা নির্বাচন এখনো আইসিইউতে কণ্ঠশিল্পী অভি পুকুর চুরি থেকে ‘বালিশ চুরি’ বায়িং হাউজগুলোকে নিবন্ধনের নির্দেশ নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেলওয়ের ভবন গায়েব মাদকের মায়াজালে কি আটকা পড়ছে পুলিশ গাজীপুরার চাঞ্চল্যকর গৃহবধু ধর্ষণকারী মোঃ ইমরান খান কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব কিশোরগঞ্জের গোপদিঘীর এক ঘৃণিত প্রতারক আল আমিন মানুষের কল্যাণে সততা নিয়ে কাজ করে চলেছেন তানভীর আহমেদ হায়দার আবারো পতনের ধারায় পুঁজিবাজার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার জারি বিনিয়োগের শর্ত শিথিল পুঁজিবাজারে ব্যাংকের রপ্তানি বাড়ছে শুকনো খাবারের জমে উঠেছে অনলাইন কেনাকাটা বাংলাদেশে তৈরি হবে মিতসুবিশি গাড়ি যে দেশে মালির বেতন ৬৩ হাজার; রানী-রাজার খবর নাই বেপরোয়া রোহিঙ্গা ইঞ্জিন ও পাওয়ার কার সঙ্কট ঈদে রেলযাত্রায় বিড়ম্বনা বাড়াতে পারে
ইরানের ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র ধ্বংস করে দিতে মার্কিন ২০ ক্ষেপণাস্ত্র

ইরানের ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র ধ্বংস করে দিতে মার্কিন ২০ ক্ষেপণাস্ত্র

Spread the love

উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অণুতরঙ্গের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া ও ইরানের সামরিক ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র পর্যুদস্ত করে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী অন্তত ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে। এতে কোনো হতাহত ছাড়াই ওই দুই দেশের সামরিক সক্ষমতা অকার্যকর করে দিতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র।-খবর ডেইলি মেইলের

মার্কিন বিমান বাহিনীর গবেষণাগারের জন্য কাউন্টার ইলেক্ট্রনিকস হাই পাওয়ার মাইক্রোওয়েক অ্যাডভানসড মিসাইল প্রজেক্ট(সিএইচএএমপি) নামে পরিচিত এই ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণ করেছে বোয়িং ফ্যানটাম ওয়ার্ক। ২০১২ সালে এটির সফল পরীক্ষা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ ক্ষেপণাস্ত্র কোনো কাজে লাগানো হয়নি।

বিমান থেকে ছোড়া ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রে এই অণুতরঙ্গ অস্ত্র বসানো হয়। বি-৫২ বোমারু বিমান থেকেও এটার ব্যবহার করা যাবে। এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার আওতা সাতশ মাইল।

খুবই কম উচ্চতা দিয়ে এটি শত্রুপক্ষের আকাশপথে ঢুকে পড়তে পারবে। এরপর উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন অণুতরঙ্গ(এইচপিএম) জ্বালানি নির্গমণ করে শত্রুপক্ষের কম্পিউটার চিপস দগ্ধ করার সক্ষমতা রয়েছে এটির। এতে মুহূর্তেই যেকোনো ইলেক্ট্রনিকস ডিভাইস অকার্যকর হয়ে পড়তে পারে।

কিরটল্যান্ড বিমান বাহিনীর ঘাঁটিতে বিমান বাহিনীর উচ্চ-ক্ষমতা সম্পন্ন অণুতরঙ্গ বিভাগের প্রধান ম্যারি লোউ রবিনসন বলেন, এই ক্ষেপণাস্ত্র এখন অভিযানের জন্য প্রস্তুত। তারা এখন যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে পারবে।

২০১২ সালে এইচপিএম সমৃদ্ধ একটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে পরীক্ষা চালানোর পর মার্কিন বিমান বাহিনী গোপনে এই প্রকল্প আরও আধুনিকায়ন করেছে।

পরীক্ষার সময় উটাত টেস্ট অ্যান্ড ফায়ারিং রেঞ্জে দুই তলা ভবনের ওপর দিয়ে সিএইচএএমপি ক্ষেপণাস্ত্র উড্ডয়ন করেছে।

বোয়িংয়ের সিএইচএএমপির কর্মসূচির ব্যবস্থাপক কেইথ কোলম্যান বলেন, এটি দিয়ে আমরা যেখানে চাই, সেখানেই হামলা চালাতে পারবো। আজ আমরা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীকে বৈজ্ঞানিক বাস্তব ঘটনায় পরিণত করলাম।

সফলভাবে পরীক্ষার পর এটির কথা প্রথম প্রকাশ করা হয়। তখন কিছু বাণিজ্যিক পত্রিকায় এ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে প্রতিবেদন হয়েছিল।

এইচপিএমের সৌন্দর্য হচ্ছে, এটির অণুতরঙ্গ রশ্মি বাংকারের ভেতরেও ঢুকে পড়তে পারবে। ভেতরের লোকজনকে ক্ষতি না করেই এটি তার কাজ চালিয়ে যেতে পারবে।

এমনকি বাংকারটি যদি পাহাড়ের ভেতরেও স্থাপন করা হয়, তবে বৈদ্যুতিক কেবল, যোগাযোগ লাইন ও অ্যান্টেনার সংযোগের মাধ্যমে ভেতরে স্থাপনাকে অকার্যকর করে দিতে পারবে এই ক্ষেপণাস্ত্র।

এভাবে ভূগর্ভস্থ যেকোনো স্থাপনায় ঢুকে সেখানকার সামরিক স্থাপনা ও বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ধ্বংস করে দিতে পারবে এটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com