শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
আবারো পতনের ধারায় পুঁজিবাজার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার জারি বিনিয়োগের শর্ত শিথিল পুঁজিবাজারে ব্যাংকের রপ্তানি বাড়ছে শুকনো খাবারের জমে উঠেছে অনলাইন কেনাকাটা বাংলাদেশে তৈরি হবে মিতসুবিশি গাড়ি যে দেশে মালির বেতন ৬৩ হাজার; রানী-রাজার খবর নাই বেপরোয়া রোহিঙ্গা ইঞ্জিন ও পাওয়ার কার সঙ্কট ঈদে রেলযাত্রায় বিড়ম্বনা বাড়াতে পারে যানবাহনের মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার রাজপথে বাড়াচ্ছে প্রাণহানির ঝুঁকি কৃষক কাঁদছে, পুড়ছে ধান! টিকেট পেতে ভোগান্তি ওয়াহাব-আমির-আসিফ পাকিস্তান বিশ্বকাপ দলে পাকিস্তানকে হারাল ইংল্যান্ড ব্রাজিলে মদের দোকানে বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত ১১ চলে গেলেন কৌতুক অভিনেতা স্যামি শোর তাজিকিস্তানে কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ৩২ খোলামেলা আলোচনায় মোনালিসা এবার মিলার বিরুদ্ধে মানহানীর মামলা নশিপুর ইউনিয়ন পরিষদে উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা
শাশুড়ি-ননদের দেয়া আগুন বাঁচতে দিল না সজিকে

শাশুড়ি-ননদের দেয়া আগুন বাঁচতে দিল না সজিকে

Spread the love

পাবনার সুজানগরে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দেয়া আগুনে দগ্ধ গৃহবধূ সজি খাতুন (২৫) মারা গেছেন। ৬ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মঙ্গলবার রাত পৌনে ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

পাবনার বেড়া উপজেলার আমিনপুর থানা পুলিশের ওসি মোমিনুল ইসলাম গৃহবধূর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঢাকায় সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে লাশ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছাতে রাত হয়ে যাবে। এ ঘটনায় নিহতের ননদ সামেলা খাতুনকে (৩৭) আটক করা হলেও বাকিরা পলাতক রয়েছে। তবে তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এর আগে ৯ মে (বৃহস্পতিবার) ভোরে পাবনার সুজানগর উপজেলার আমিনপুর থানার তালিমনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পারিবারিক কলহের জের ধরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে গৃহবধূর স্বজনরা অভিযোগ করেন। আগুনে তার শরীরের ৬০ ভাগ পুড়ে গিয়েছিল।

নিহত সজি খাতুন সুজানগর উপজেলার আমিনপুর থানার মুরারীপুর গ্রামের দরিদ্র ভ্যানচালক ফজিবর মন্ডলের মেয়ে।

ফজিবর মন্ডল জানান, ১২ বছর আগে একই থানার তালিমনগর গ্রামের গেদা মন্ডলের ছেলে সুরমান আলীর (৩০) সঙ্গে তার মেয়ে সজি খাতুনকে বিয়ে দেন। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য তার মেয়েকে নির্যাতন করে আসছিল সজির স্বামী, শাশুড়ি, ননদসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এরই মধ্যে বছর খানেক আগে সুরমান আলী কাজের সন্ধানে মালয়েশিয়া যান। মালয়েশিয়া থেকে তিনি টাকা পাঠাতেন তার বোন (সজির ননদ) সামেলার নামে। সামেলা সুরমানের পাঠানো টাকা থেকে প্রতিমাসে আড়াই থেকে ৩ হাজার করে টাকা দিত সজিকে। এই টাকা দিয়ে সজি ৬ বছর এবং ৪ বছর বয়সী দুই ছেলেকে নিয়ে চলতো। কিন্তু এ টাকায় তার সংসার চলতো না। এ নিয়ে পারিবারিক কলহ তীব্র হতে থাকে।

দুই মাস আগে সজিকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় শাশুড়ি-ননদ, ভাসুরসহ পরিবারের লোকজন। এ ব্যাপারে আমিনপুর থানায় অভিযোগ দেয়া হলে পুলিশ বুধবার সজিকে দুই সন্তানসহ বাড়িতে তুলে দিয়ে যায়। এরপর ৯ মে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সজিকে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়।

এ সময় দুই সন্তান ও সজির চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে পুলিশ ও স্বজনরা এসে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। কিন্তু পাবনা জেনারেল হাসাপাতাল থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে রেফার্ড করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com