শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
আবারো পতনের ধারায় পুঁজিবাজার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার জারি বিনিয়োগের শর্ত শিথিল পুঁজিবাজারে ব্যাংকের রপ্তানি বাড়ছে শুকনো খাবারের জমে উঠেছে অনলাইন কেনাকাটা বাংলাদেশে তৈরি হবে মিতসুবিশি গাড়ি যে দেশে মালির বেতন ৬৩ হাজার; রানী-রাজার খবর নাই বেপরোয়া রোহিঙ্গা ইঞ্জিন ও পাওয়ার কার সঙ্কট ঈদে রেলযাত্রায় বিড়ম্বনা বাড়াতে পারে যানবাহনের মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার রাজপথে বাড়াচ্ছে প্রাণহানির ঝুঁকি কৃষক কাঁদছে, পুড়ছে ধান! টিকেট পেতে ভোগান্তি ওয়াহাব-আমির-আসিফ পাকিস্তান বিশ্বকাপ দলে পাকিস্তানকে হারাল ইংল্যান্ড ব্রাজিলে মদের দোকানে বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত ১১ চলে গেলেন কৌতুক অভিনেতা স্যামি শোর তাজিকিস্তানে কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ৩২ খোলামেলা আলোচনায় মোনালিসা এবার মিলার বিরুদ্ধে মানহানীর মামলা নশিপুর ইউনিয়ন পরিষদে উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা
নগদ অর্থ সংকটে বিডি ফাইন্যান্স

নগদ অর্থ সংকটে বিডি ফাইন্যান্স

Spread the love

চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) নগদ অর্থ সংকটে পড়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান বিডি ফাইন্যান্স। তবে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা ও সম্পদের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে।

কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষের দেয়া আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

কোম্পানিটির পরিচালন নগদ প্রবাহের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো বা পরিচালন নগদ প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ১ টাকা ২২ পয়সা।

অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ঋণাত্মক হওয়ার অর্থ নগদ টাকার সংকট দেখা দেয়া। যে প্রতিষ্ঠানের ক্যাশ ফ্লো যত বেশি ঋণাত্মক, ওই প্রতিষ্ঠানের নগদ অর্থ সংকট ততো বেশি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি প্রতিষ্ঠানের অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ঋণাত্মক হয়ে পড়লে ওই প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা কঠিন হয়ে পড়ে। আর আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ক্যাশ ফ্লো ঋণাত্মক হয়ে পড়লে সময়মতো গ্রাহকের অর্থ পরিশোধ করা অনেক সময় সম্ভব হয় না।

শুধু চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে না আগের বছরের প্রথম প্রান্তিকেও আর্থিক খাতের এ প্রতিষ্ঠানটির ক্যাশ ফ্লো ঋণাত্মক ছিল। আগের বছরের জানুয়ারি-মার্চ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ছিল ঋণাত্মক ৭৬ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় কোম্পানিটির নগদ অর্থ সংকটের পরিমাণ বেড়েছে।

এদিকে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। চলতি হিসাব বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৬ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ পয়সা। অর্থাৎ চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি মুনাফা বেড়েছে ৫ পয়সা।

মুনাফার পাশাপাশি কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। ২০১৯ সালের মার্চ শেষে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৮৩ পয়সা, যা ২০১৮ সালের ডিসেম্বর শেষে ছিল ১৬ টাকা ৭৭ পয়সা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com