শনিবার, ২০ Jul ২০১৯, ১০:৩২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
৪১ প্রতিষ্ঠানের পাস করেনি কেউ উচ্চ মাধ্যমিকে পাসের হার ৭৩.৯৩% ১৮ জুন কটিয়াদী উপজেলা নির্বাচন এখনো আইসিইউতে কণ্ঠশিল্পী অভি পুকুর চুরি থেকে ‘বালিশ চুরি’ বায়িং হাউজগুলোকে নিবন্ধনের নির্দেশ নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেলওয়ের ভবন গায়েব মাদকের মায়াজালে কি আটকা পড়ছে পুলিশ গাজীপুরার চাঞ্চল্যকর গৃহবধু ধর্ষণকারী মোঃ ইমরান খান কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব কিশোরগঞ্জের গোপদিঘীর এক ঘৃণিত প্রতারক আল আমিন মানুষের কল্যাণে সততা নিয়ে কাজ করে চলেছেন তানভীর আহমেদ হায়দার আবারো পতনের ধারায় পুঁজিবাজার বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার জারি বিনিয়োগের শর্ত শিথিল পুঁজিবাজারে ব্যাংকের রপ্তানি বাড়ছে শুকনো খাবারের জমে উঠেছে অনলাইন কেনাকাটা বাংলাদেশে তৈরি হবে মিতসুবিশি গাড়ি যে দেশে মালির বেতন ৬৩ হাজার; রানী-রাজার খবর নাই বেপরোয়া রোহিঙ্গা ইঞ্জিন ও পাওয়ার কার সঙ্কট ঈদে রেলযাত্রায় বিড়ম্বনা বাড়াতে পারে
২০১৮ সালে দুর্ঘটনায় নিহত ৭৭৯৬ ॥ যাত্রী কল্যাণ সমিতি

২০১৮ সালে দুর্ঘটনায় নিহত ৭৭৯৬ ॥ যাত্রী কল্যাণ সমিতি

Spread the love

এছাড়া সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশপথের মোট দুর্ঘটনার সংখ্যা ৬ হাজার ৪৮টি। এসব দুর্ঘটনায় মোট নিহত হয়েছেন ৭ হাজার ৭৯৬ জন। আহতের সংখ্যা ১৫ হাজার ৯৮০।

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে যাত্রী কল্যাণ সমিতি এই তথ্য তুলে ধরে। সমিতির “বার্ষিক সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন – ২০১৮” প্রকাশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচির মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী রিপোর্টটি পড়ে শোনান।

তিনি জানান, দেশের জাতীয় ও আঞ্চলিক দৈনিক এবং অনলাইন নিউজপোর্টলে প্রকাশিত প্রতিবেদনের আলোকে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

রিপোর্টে আরো জানানো হয়, গত বছরে একই সময়ে রেলপথে ৩৭০টি দুর্ঘটনায় ৩৯৪ জন নিহত হন এবং ২৪৮ আহত হন। অপরদিকে নৌ-পথে ১৫৯টি দুর্ঘটনায় ১২৬ জন নিহত এবং ২৩৪জন আহত হন এবং ৩৮৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

অপরদিকে আকাশ পথে ৫টি দুর্ঘটনায় ৫৫ জন নিহত এবং ৩২ জন আহত হন। সড়ক, রেল, নৌ এবং আকাশপথে সম্মিলিতভাবে ৬ হাজার ৪৮টি দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৭৯৬ জন নিহত এবং ১৫ হাজার ৯৮০ জন আহত হয়েছেন।

এর মধ্যে ১ হাজার ২৫২ জন চালক-শ্রমিক, ৮৮০ জন শিক্ষার্থী, ২৩১ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য, ১০৬ জন শিক্ষক, ৩৪ জন সাংবাদিক, ৩৩ জন চিকিৎসক, ৩৯ জন প্রকৌশলী, ২ জন আইনজীবী, ৭৮৭ জন নারী, ৪৮৭ শিশু এবং ১৯২ জন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন।

দুর্ঘটনা কবলিত বাস শতকরা ১৮.৯২ ভাগ, ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ২৮.৬৮ ভাগ, কার-মাইক্রোবাস-ফোর হুইলার (জিপ) ৭.৯৩ ভাগ, অটোরিকশা ৯.৬১ ভাগ, মোটরসাইকেল ২৫.৩০ ভাগ, ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ৩.৭২ ভাগ, নছিমন-করিমন-হিউম্যান হলার ৫.৮০ ভাগ।

পরিসংখ্যানে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, বিপদজনক ওভারটেকিং, রাস্তাঘাটের নির্মাণ ত্রুটি, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, যাত্রী ও পথচারীদের অসতর্কতা, চালকের অদক্ষতা, চলন্ত অবস্থায় মোবাইল বা হেডফোন ব্যবহার, মাদক সেবন করে যানবাহন চালানো, রেলক্রসিং ও মহাসড়কে হঠাৎ থেকে যানবাহন উঠে আসা, রাস্তায় ফুটপাত না থাকা বা দখলে থাকা, ওভারলোড এবং ছোট যানবাহন বৃদ্ধিকে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

একই সঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বেশকিছু সুপারিশমালা তুলে ধরে সংগঠনটি। এর মধ্যে- ট্রাফিক আইন, মোটরযান আইন ও সড়ক ব্যবহার বিধি বিধান সম্পর্কে স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ছাত্রীদের জন্য, মসজিদ, মন্দির, গির্জায় জনসাধারণের জন্য ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা করা; টিভি চ্যানেল ও সংবাদপত্র সমূহে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ব্যাপক৬ প্রচারের ব্যবস্থা করা; জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশ থেকে হাট-বাজার অপসারণ করা; ফুটপাত দখলমুক্ত করা; রোড সাইন স্থাপন করা, জেব্রাক্রসিং অঙ্কন করা; গণপরিবহন চালকদের প্রফেশনাল ট্রেনিং ও নৈতিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা; যাত্রী পথচারীবান্ধব সড়ক পরিবহন বিধি প্রণয়ন; গাড়ির ফিটনেস ও চালকদের লাইসেন্স দেওয়ার পদ্ধতি উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিকায়ন করা; জাতীয় মহাসড়কে স্বল্প ও দ্রুতগতির জন্য আলাদা লেনের ব্যবস্থা করা; অনুমোদিত সড়ক পরিবহন আইন দ্রুত বাস্তবায়ন করা; সড়ক নিরাপত্তা তহবিল গঠন; সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা; লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন কালে চালকের ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করা এবং পর্যাপ্ত গণপরিবহন নামানো উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন তত্ত্ববধায়ক সরকার সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, বিআরটিএ’র সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুবুর রহমান, সুপ্রিম কোটের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার জোতির্ময় বড়ুয়া, সিনিয়র সাংবাদিক কুদ্দুস আফ্রাদ প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com