বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ০৮:১২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
বাবার পর ধর্ষণ করলো ছেলে নিজে প্রাণ হারালেও বহু মানুষের জীবন বাঁচালেন যিনি মোদির বিরুদ্ধে বারাণসী থেকেই লড়বেন প্রিয়াঙ্কা মোদিকে জবাব দিলেন মমতা শ্রীলঙ্কায় আবারও বিস্ফোরণ বাবার কাঁধেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে ১০ বছরের কোলোনি চীনে মুখ থুবড়ে পড়েছে আমাজান নগদ ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে ইসলামী ব্যাংক ১২ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে ফিনিক্স ইনস্যুরেন্স সঞ্চয়পত্রের সুদহারে পরিবর্তন আসছে না জাহিদুরকে বহিষ্কারের ইঙ্গিত দিলেন গয়েশ্বর! দলের কথা এড়িয়ে মানুষের কথা বললেন জাহিদুর ড. কামালের ব্যাংক হিসাব তলব কলেরা হাসপাতালে ধারণ ক্ষমতার তিনগুণ বেশি রোগী কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় আগুন চীনের মহড়ায় বাংলাদেশের যুদ্ধজাহাজ ‘প্রত্যয়’ বিরতিহীন বনলতা এক্সপ্রেস উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ‘হয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা থাকবে, না হয় আমি থাকব’ টঙ্গীতে ১৮’শ পিচ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক টঙ্গী তুরাগ নদের তীরে অবৈধ স্থাাপনা উচ্ছেদ
র্কণফুলীতে উচ্ছদে অভযিান শুরু

র্কণফুলীতে উচ্ছদে অভযিান শুরু

হাইকোর্টের নির্দেশনার পরেও কর্ণফুলী নদীতে অনেক জল গড়িয়েছে, কিন্তু কোনোভাবেই দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা যাচ্ছিল না। তবে এবার কিছু একটা হচ্ছে এমনটাই মনে করছে চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষ।

সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সোয়া ১০টা থেকে শুরু হয়েছে কর্ণফুলী নদীর দুই পাড়ে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পতেঙ্গা ভূমি সহকারী কমিশনার তাহমিলুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, কর্ণফুলীর অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান ফলপ্রসূ করতে আমরা কিছু সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করেছি। চাক্তাই থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত কর্ণফুলীর অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযানকে তিন জোনে ভাগ করা হয়েছে। মোট ২১৮৭টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। প্রথম ধাপে আজ থেকে সদরঘাট থেকে বারিক বিল্ডিং পর্যন্ত দুইশ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে অপর দু’টি জোনে উচ্ছেদ অভিযান চলবে।

২০১০ সালে র্কণফুলী নদীর গতপিথ স্বাভাবকি রাখতে নদীর সীমানা নর্ধিারণ, দখল, ভরাট ও নদীতে যকেোনো ধরনরে স্থাপনা নর্মিাণ বন্ধ রাখতে হাইর্কোটে রটি দায়রে করে হউিম্যান রাইটস অ্যান্ড পসি ফর বাংলাদশে নামরে একটি সংগঠন।

এর পরপ্রিক্ষেতিে ২০১০ সালরে ১৮ জুলাই র্কণফুলী নদীর প্রকৃত সীমানা নর্ধিারণ করে প্রতবিদেন দাখলিরে জন্য চট্টগ্রাম জলো প্রশাসক ও ভূমি জরপি অধদিফতররে মহাপরচিালককে নর্দিশে দনে হাইর্কোট।

এ লক্ষ্যে গঠতি ১৬ সদস্যরে কমটিি ২০১৬ সালরে ১৮ জুন আরএস ও বএিস রর্কেড অনুযায়ী র্কণফুলী নদীর র্বতমান অবস্থান ও দখলদারদরে চহ্নিতি করে একটি তালকিা তরৈি কর।ে এরপর ২০১৬ সালরে ১৬ আগস্ট হাইর্কোট র্কণফুলী নদীর দুই তীর দখল করে গড়ে ওঠা অবধৈ স্থাপনা সরাতে ৯০ দনি সময় বঁেধে দয়িে আদশে প্রদান করনে।

জানা গছে,ে র্অথ সঙ্কটসহ নানা জটলিতায় এতদনি উচ্ছদে র্কাযক্রম পরচিালনা করা সম্ভব হয়ন।ি সম্পতি ভূমি মন্ত্রণালয় থকেে র্অথ বরাদ্দ প্রাপ্তরি পর এ উচ্ছদে অভযিানে নমেছেে জলো প্রশাসন।

আশার দকি হলাে, শুধু জলো প্রশাসন নয়। র্অথ বরাদ্দ দয়োর পাশাপাশি দখলদারদরে বরিুদ্ধে কঠোর অবস্থান নয়িছেনে ভূমমিন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবদে।

হুঁশযি়ারি উচ্চারণ করে বলছেনে, ‘আমার কাছে অনকে কল এসছে।ে রকিোয়স্টেও এসছে।ে আমি মনে কর,ি এখানে রকিোয়স্টে রাখার কোনো সুযোগ নইে। র্দীঘসময় আমরা দয়িছে।ি আর কছিু করার নইে। আমরা সবকছিু ববিচেনা করইে কাজ করছ।ি

নদীপাড় দখল করে রাখা প্রভাবশালীদরে বষিয়ে প্রশ্ন করা হলে তনিি বলনে, ‘কোনো প্রভাবশালী নাই। প্রভাবশালী বলতে আমি কছিু বুঝি না। সরকাররে চয়েে প্রভাবশালী ক?ে মহামান্য আদালতরে রায় আমাদরে আছ।ে কাজ দখেনে, কথা বশেি বলে লাভ নইে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com