শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৯, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরনাম
তেরখাদা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের গনসংযোগ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত স্কুল ছাত্রের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান কচুয়ায় ভূয়া মাজার তৈরী করে প্রতারনার ফাঁদ \ এলাকায় তোলপাড় দৈনিক সমকালের টঙ্গী প্রতিনিধির মা আর নেই গাজীপুরে বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিক বিক্ষোভ পুলিশের টিয়ারসেল নিক্ষেপ মাটি ভর্তি ট্রাকচাপায় চিকিৎসকের মৃত্যু ভোটে বিএনপির কেন ভরাডুবি, ব্যাখ্যা করলেন জয় গাজায় ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে ফিলিস্তিনি নিহত ভারত ছাড়লেন তনুশ্রী দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী মানুষের মধ্যে লিয়েন’র শীতের কম্বল ও খাবার বিতরণ কাসাভা চাষ পতিত জমিতে মুনাফার খোঁজ গাজীপুরে মালিক পক্ষের ছুটি ঘোষনা গার্মেন্টস শ্রমিকদেরবিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ ও বিজিবি মোতায়েন কচুয়ায় নৌকায় ভোট চাওয়ায় হামলা \ স্ত্রী, শাশুড়ী ও শ্যালকসহ আহত ৫ কচুয়ার উজানী মাদ্রাসার দু’দিন ব্যাপি বার্ষিক মাহফিল বৃহস্পতি ও শুক্রবার ঝিনাইগাতীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামীলীগের সম্ভাব্য প্রার্থী আজাদের মতবিনিময় সভা হোমনায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা গত বছর মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল চরম উদ্বেগজনক সুবিধা বঞ্চিত মানুষের সুবিধা নিশ্চিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয়: প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য হোমনায় আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসার শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগীতার পুরস্কার বিতরণ কচুয়ায় প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি \ স্বর্নালঙ্কার লুটের অভিযোগ
গত বছর মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল চরম উদ্বেগজনক

গত বছর মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল চরম উদ্বেগজনক

নিজস্ব প্রতিবেদক : মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) দাবি করেছে, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকারের ক্ষেত্রে বিগত বছরগুলোর অগ্রগতির ধারা ২০১৮ সালে অব্যাহত থাকলেও মানবাধিকারের আরেকটি সূচক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রে আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি। বিগত বছরগুলোর মতো ২০১৮ সালের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল চরম উদ্বেগজনক।



আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আসকের এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলা হয়। এখানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আসকের উপপরিচালক নীনা গোস্বামী ও জ্যেষ্ঠ সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবির। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত বছরজুড়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, বিশেষ করে ক্রসফায়ার, বন্দুকযুদ্ধ, গুলিবিনিময় ও গুম-গুপ্তহত্যার ঘটনা অব্যাহত ছিল। বিশেষত গত বছরের মে মাস থেকে শুরু হওয়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাদকবিরোধী অভিযানকে কেন্দ্র করে ক্রসফায়ার ও বন্দুকযুদ্ধে দেশজুড়ে ২৯২ জন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। ২০১৮ সালের আরেকটি উদ্বেগজনক বিষয় ছিল বেআইনি আটক, গণগ্রেপ্তারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যুর মতো ঘটনা। আসক আরও বলেছে, গত বছর গণমাধ্যমে প্রকাশিত গায়েবি মামলার বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। সংগঠনটির দাবি, ২০১৮ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ, ক্রসফায়ার, গুলিবিনিময়, নিরাপত্তা হেফাজতে মোট ৪৬৬ জন নিহত হয়েছে। এর সংখ্যা ২০১৭ সালে ছিল ১৬২। ২০১৮ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে গুম হন ৩৪ জন। এর মধ্যে পরবর্তী সময়ে ১৯ জনের সন্ধান পাওয়া গেছে, যাঁদের অধিকাংশই বিভিন্ন মামলায় আটক আছেন। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) দাবি করেছে, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকারের ক্ষেত্রে বিগত বছরগুলোর অগ্রগতির ধারা ২০১৮ সালে অব্যাহত থাকলেও মানবাধিকারের আরেকটি সূচক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রে আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি। বিগত বছরগুলোর মতো ২০১৮ সালের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল চরম উদ্বেগজনক। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আসকের এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলা হয়। এখানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আসকের উপপরিচালক নীনা গোস্বামী ও জ্যেষ্ঠ সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবির। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত বছরজুড়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, বিশেষ করে ক্রসফায়ার, বন্দুকযুদ্ধ, গুলিবিনিময় ও গুম-গুপ্তহত্যার ঘটনা অব্যাহত ছিল। বিশেষত গত বছরের মে মাস থেকে শুরু হওয়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাদকবিরোধী অভিযানকে কেন্দ্র করে ক্রসফায়ার ও বন্দুকযুদ্ধে দেশজুড়ে ২৯২ জন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। ২০১৮ সালের আরেকটি উদ্বেগজনক বিষয় ছিল বেআইনি আটক, গণগ্রেপ্তারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যুর মতো ঘটনা। আসক আরও বলেছে, গত বছর গণমাধ্যমে প্রকাশিত গায়েবি মামলার বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। সংগঠনটির দাবি, ২০১৮ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ, ক্রসফায়ার, গুলিবিনিময়, নিরাপত্তা হেফাজতে মোট ৪৬৬ জন নিহত হয়েছে। এর সংখ্যা ২০১৭ সালে ছিল ১৬২। ২০১৮ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে গুম হন ৩৪ জন। এর মধ্যে পরবর্তী সময়ে ১৯ জনের সন্ধান পাওয়া গেছে, যাঁদের অধিকাংশই বিভিন্ন মামলায় আটক আছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com