শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৯, ০২:০১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরনাম
তেরখাদা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের গনসংযোগ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত স্কুল ছাত্রের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান কচুয়ায় ভূয়া মাজার তৈরী করে প্রতারনার ফাঁদ \ এলাকায় তোলপাড় দৈনিক সমকালের টঙ্গী প্রতিনিধির মা আর নেই গাজীপুরে বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিক বিক্ষোভ পুলিশের টিয়ারসেল নিক্ষেপ মাটি ভর্তি ট্রাকচাপায় চিকিৎসকের মৃত্যু ভোটে বিএনপির কেন ভরাডুবি, ব্যাখ্যা করলেন জয় গাজায় ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে ফিলিস্তিনি নিহত ভারত ছাড়লেন তনুশ্রী দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী মানুষের মধ্যে লিয়েন’র শীতের কম্বল ও খাবার বিতরণ কাসাভা চাষ পতিত জমিতে মুনাফার খোঁজ গাজীপুরে মালিক পক্ষের ছুটি ঘোষনা গার্মেন্টস শ্রমিকদেরবিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ ও বিজিবি মোতায়েন কচুয়ায় নৌকায় ভোট চাওয়ায় হামলা \ স্ত্রী, শাশুড়ী ও শ্যালকসহ আহত ৫ কচুয়ার উজানী মাদ্রাসার দু’দিন ব্যাপি বার্ষিক মাহফিল বৃহস্পতি ও শুক্রবার ঝিনাইগাতীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামীলীগের সম্ভাব্য প্রার্থী আজাদের মতবিনিময় সভা হোমনায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা গত বছর মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল চরম উদ্বেগজনক সুবিধা বঞ্চিত মানুষের সুবিধা নিশ্চিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয়: প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য হোমনায় আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসার শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগীতার পুরস্কার বিতরণ কচুয়ায় প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি \ স্বর্নালঙ্কার লুটের অভিযোগ
ঘন কুয়াশা ও নৌযান চলাচল

ঘন কুয়াশা ও নৌযান চলাচল

খান আশরাফুল ইসলাম: দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার আভাস পাওয়া গেলে সরকারের আবহাওয়া অধিদপ্তর সমুদ্র বন্দরের জন্যে পর্যায়ক্রমে ১১টি বিপদ সংকেত প্রচার করে। সেগুলো হচ্ছে : ১নং দূরবর্তী সতর্ক সংকেত, ২নং দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত, ৩নং স্থানীয় সতর্ক সংকেত, ৪নং স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত, ৫নং বিপদ সংকেত, ৬নং বিপদ সংকেত, ৭নং বিপদ সংকেত, ৮নং মহাবিপদ সংকেত, ৯নং মহাবিপদ সংকেত, ১০নং মহাবিপদ সংকেত ও ১১নং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত। নদী বন্দরের জন্যে পর্যায়ক্রমিক সংকেতসমূহ ৪টি। সেগুলো হচ্ছে : ১নং নৌ সতর্ক সংকেত, ২নং নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত, ৩নং নৌ-বিপদ সংকেত ও ৪নং নৌ-মহাবিপদ সংকেত। এ সংকেতসমূহ প্রচার করা হয় নৌকা, ট্রলার, লঞ্চ, স্টিমার ইত্যাদি নৌযানের দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্যে। বস্তুত সংকেতের মাধ্যমে পূর্ব সতর্কতা অবলম্বনের কারণে জান ও মালের ক্ষয়ক্ষতি রোধ করা যায়। সা¤প্রতিক বছরগুলোতে সমুদ্র বন্দর ও নদী বন্দরের জন্যে দুর্যোগকালীন সংকেত সমূহের ব্যাপক প্রচার ও সচেতনতা সৃষ্টি সম্ভব হওয়ায় পূর্বের তুলনায় নৌযান দুর্ঘটনা অনেক কমেছে এবং কখনো কখনো শূন্যের কোটায় নেমে আসে। এটা অবশ্যই ইতিবাচক দিক। এমন একটি ইতিবাচকতার পাশাপাশি প্রতি বছর শীত মৌসুমে আমাদের দেশে শৈত্য প্রবাহ ও ঘন কুয়াশার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ চলাকালে দেখা যায় একটি উল্লেখযোগ্য নেতিবাচক দিক। ঘন কুয়াশায় শুধু নৌপথই বিপজ্জনক হয়ে পড়ে না, সকল সড়কই বিপজ্জনক হয়ে যায়, যেগুলোতে যানবাহন চলাচলে থাকে দুর্ঘটনার নিশ্চিত ঝুঁকি। কিন্তু আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে এ ব্যাপারে নৌপথ ও সড়কের জন্যে কোনো সংকেত বা সতর্কবার্তা নিতান্তই সাদামাটাভাবে প্রচারিত হয়, খুব বেশি গুরুত্ব দিয়ে প্রচারিত হয় না। যার ফলে ঘন কুয়াশা চলাকালে মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর একের পর এক পেতে হয় এবং  সংবেদনশীল প্রতিটি মানুষকে ভীষণ মন খারাপ করতে হয়। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এবারকার শীত মৌসুমের প্রথম ঘন কুয়াশা লক্ষ্য করা যায়। তবে এই কুয়াশা স্থলভাগের চেয়ে জলভাগে ছিলো অনেক বেশি। অতীতে দেখা গেছে, ঘন কুয়াশার বিষয়টি টের পেয়ে নদী বন্দর তথা টার্মিনাল থেকে যাত্রীবাহী লঞ্চ-স্টিমার গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছাড়ার ব্যাপারে নিজেরাই বিরত থেকেছে কিংবা বন্দর কর্তৃপক্ষ বাধা দিয়েছে। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার বন্দর কর্তৃপক্ষ এ বাধা না দেয়ায় দুর্ঘটনা ঘটেই গেলো এবং অল্পের জন্যে অনেক যাত্রীর প্রাণ রক্ষা পেলো। এ ব্যাপারে চাঁদপুর কণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদের শিরোনাম হয়েছে যে, চাঁদপুর নৌ- সীমানায় ঘন কুয়াশার কারণে অর্ধ শতাধিক লঞ্চ আটকা পড়েছে। মেঘনায় যাত্রীবাহী লঞ্চের সাথে বাল্কহেডের সংঘর্ষে তলা ফেটে ৫৩৯; যাত্রী নিয়ে লঞ্চ চরে আটকা, যাত্রীদের সীমাহীন দুর্ভোগের পর উদ্ধার। এ দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ডের তৎপরতা ছিলো প্রশংসনীয়। তারা তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে রাতের অন্ধকারে চরাঞ্চলে যাত্রীরা ডাকাতের কবলসহ অন্য কোনো ধরনের বিপন্নতায় আক্রান্ত হতে হতো। আমরা ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তরসহ স্থানীয় প্রশাসনকে যেভাবে তৎপর দেখি, ঘন কুয়াশাসহ শৈত্য প্রবাহের পূর্বাভাসে সেভাবে তৎপর দেখি না। এটা কিন্তু উদ্বেগের বিষয়। এ উদ্বেগ নিরসনে অবশ্যই পদক্ষেপ নেয়া দরকার। প্রবাদ আছে, সতর্কতার মার নেই। অতএব, ঘন কুয়াশার মতো পূর্বাভাস পেলেই সংশ্লিষ্ট সকলকে জান- মালের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানোর জন্যে সতর্কতামূলক যা যা করা দরকার, সে ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়া বাঞ্ছনীয় বলে মনে করি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com