বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরনাম
অসুস্থ্য লতিফ সিদ্দিকী: মেডিকেল বোর্ড গঠন গাবতলীতে বিএনপিনেতা খোকার নামাজে জানাযা তালতলীতে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত গাজীপুর-২ আসনে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী সালাউদ্দিন সরকারের জনসংযোগ গাজীপুর-২ আসনে খাদিজা রাসেলের নির্বাচনী গণসংযোগ বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিলসহ ট্রাক উদ্ধার টঙ্গীতে মাদক চক্রের প্রধান ইমরানসহ গ্রেফতার-৬ টঙ্গীতে ঝিড়ি ঝিড়ি বৃষ্টির মধ্যে নৌকার প্রচারণা চালাছে টঙ্গী ছাত্রলীগ হামলা চালিয়ে হাতপাখার গণজাগরণে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না খুলনায় চরমোনাই পীর শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলেই ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মীদের ভাগ্য পরিবর্তন ঘটবে ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর দেবপুরে স্ত্রী ও ২ সন্তানকে হত্যা করে যুবকের আত্মহত্যা সারাদেশে সূর্য উঠেনি! সারাদিন গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্ট কুমিল্লায় ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন কুমিল্লায় আসছেন ফখরুল, রব কাদের সিদ্দিকী গাইবান্ধা জেলা পুলিশের কল্যাণ ও মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় গুচ্ছ গ্রামে বিদুত্যয়নের উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক সেবাস্টিন রেমা লোহাগড়ায় দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে বৃত্তি প্রদান রুহের মাগফিরাত কামনা ঝিনাইগাতীতে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১ ইন্দুরকানীতে নব বিবাহীত যুবকের বিদ্যুৎ স্পষ্ট হয়ে মৃত্যু পাইকগাছায় আমন চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন
যশোর-৩ সদর ক্রীড়াঙ্গনের পরিচিত মুখ কাজী নাবিল আহমেদ নৌকার প্রার্থী

যশোর-৩ সদর ক্রীড়াঙ্গনের পরিচিত মুখ কাজী নাবিল আহমেদ নৌকার প্রার্থী

যশোর-৩ সদর আসনে নৌকার কান্ডারী কাজী নাবিল আহমেদ

মির্জা বদরুজ্জামান টুনু, যশোর ব্যুরো: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় সংসদের ৮৮ যশোর-৩ সদর আসনে নৌকার কান্ডারী কাজী নাবিল আহমেদ । তিনি বর্তমানে এই আসনের এমপি  হিসেবে প্রথম বারের মতো দায়িত্ব পালন করছেন। টানা দ্বিতীয় বারের মতো তিনি  জেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে নৌকা প্রতীকের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন মহাজোট থেকে। গতপরশু দলের চূড়ান্ত মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই তিনি শুরু করেছেন গণসংযোগ আর কর্মী সভা। ভোটারদের কাছে তিনি দলের পক্ষে, নৌকার পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছেন। কর্মীদের এককাতারে কাজ করার মাধ্যমে নৌকাকে বিজয়ী করার আহবান জানাচ্ছেন দলের মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কাছে। দেশের বিশিষ্ট এই শিল্পপতি ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব দশম জাতীয় সংসদের বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় প্রথম বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেমকন গ্রæপের ভাইস চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ ১৯৬৯ সালের ৪ অক্টোবর রাজধানীর ধানমন্ডিতে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা কাজী শাহেদ আহমেদ সেনাবাহিনীতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে ১৯৭৯ সালে অবসর নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। প্রথম প্রতিষ্ঠান ক্যাসেল কনস্ট্রাকশন,পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠা করেন জেমকন গ্রæপ। মা আমিনাহ আহমেদ মিনা ঘর-সংসার সামলে নিয়মিত গানের রেওয়াজ করেন, গানের গলাটাও এখনো বেশ ভালো। সঙ্গে ব্যবসাও দেখেন। দেশের শপিং মল জগতের পাইওনিয়ার মিনা বাজারের অন্যতম স্বত্বাধিকারী এই মহষী নারী একজন সফল ব্যবসায়ীও বটে। পারিবারিকভাবেই সবাই সংস্কৃতি আর খেলাধুলার সঙ্গেও জড়িত।

তাঁদের ব্যবসার শুরুটা ছিল ছোট পরিসরেই। তার পর সময়ের সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবসার পরিধি বেড়েছে। সব মিলিয়ে এখন হাজার পাঁচেক কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন তাঁদের প্রতিষ্ঠানে। প্রথম প্রতিষ্ঠান ক্যাসেল কনস্ট্রাকশন কোম্পানি এখনো রয়েছে। ১৯৮২ সালে চালু হয় জেমিনি সি ফুড। ১৯৮৬ সালে জেমকন চালু হয়, ইঞ্জিনিয়ারিং পোল ফ্যাক্টরি। ২০০০ সাল থেকে কাজী কাজী টি, ২০০২ সালে মিনাবাজার, ২০০৩ সালে জেম জুট চালু করা হয়। এ ছাড়া স¤প্রতি আবাসন ব্যবসা জেমকন সিটির কাজ শুরু করেন। এ ছাড়া রয়েছে নন-প্রফিট ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্ট বাংলাদেশ। ১৯৯০-৯১ সালের দিকে সাপ্তাহিক খবরের কাগজ ও দৈনিক আজকের কাগজ বের করেন কাজী নাবিল আহমেদ এর পিতা কাজী মাহেদ আহমেদ। । বর্তমানে তিনি ইংরেজি পত্রিকা ঢাকা ট্রিবিউন এর সাথে যুক্ত।

কাজী নাবিল আহমেদের ছোট ভাই  ড. কাজী আনিস আহমেদ জেমকন গ্রুপের পরিচালক এবং কাজী ইনাম আহমেদ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচিত পরিচালক ও জেমকন গ্রæপের পরিচালনার সাথে যুক্ত।

কাজী নাবিল আহমেদ একজন সাদা মনের মানুষ। তার দিনের শুরু হয় যোগব্যায়ামের মাধ্যমে। তার পর ঘরে থেকেই অফিসের কাজ শুরু করে দেন। এরই ফাঁকে চলে পরিবারের লোকজনদেরও খোঁজ-খবর নেওয়া। এখনো যৌথ পরিবার টিকিয়ে রেখেছেন তাঁরা। এক ছাদের নিচেই থাকেন বাবা-মা, ভাইদের নিয়ে।

ছোটবেলায় ফুটবল খেলার প্রতি খুব বেশি ঝোঁক ছিল তাঁর। প্রিয় খেলোয়াড় ব্রাজিলের কালোমানিক পেলে। বড় হয়ে ফুটবল খেলোয়াড় হবেন এমনটাও ভেবেছেন বহুদিন। তবে সময়ের সঙ্গে অনেক কিছুই বদলে যায়। এখন তাঁর শখ বই পড়া। চোখের সামনে যা পান, তা-ই পড়ে ফেলার চেষ্টা করেন। তাঁর কাছে অবসর কাটাতে বইয়ের বিকল্প নেই। তাই নিজের সন্তানদেরও বই পড়তে উৎসাহ দেন। অনেকটা নিয়ম করেই পরিবারের সবাইকে সময় দেন। কথা দিলে তা রাখার চেষ্টা করেন। সব মিলিয়ে ভালো থাকতে আর আশপাশের মানুষকে ভালো রাখতে সব সময় চেষ্টা করেন।

কাজী নাবিল আহমেদ এর বেড়ে ওঠা রাজধানীর ধানমন্ডিতে । ১৯৮৬ সালে সেন্ট জোসেফ হাইস্কুল বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি, ১৯৮৮ সালে নটরডেম কলেজ, ঢাকা থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পাশ করে চলে যান যুক্তরাষ্ট্রে। যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতির উপর উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন ১৯৯২ সালে। রাজনীতিক মাহী বি চৌধুরী তাঁর সহপাঠী ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার সময়ই রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন । পরিচিত হন এক অসাধারণ রাজনীতিবিদ জিমি কার্টারের সঙ্গে। তাঁর সঙ্গে নানা আলাপে রাজনীতিতে কাজী নাবিলের আগ্রহটা আরো বেড়ে যায়।

১৯৯২ সালেই দেশে ফিরে আসেন। তার পর বাবার আগ্রহ আর উৎসাহে নিজেদের ব্যবসার দেখভাল শুরু করেন। ১৯৯৬ সাল থেকে শেষ পর্যন্ত আজকের কাগজ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৮ সালে পড়াশোনার জন্য আবার চলে যান ইংল্যান্ডে। ১৯৯৯ সালে লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিক্স (লন্ডন ইউনিভার্সিটি), ইংল্যান্ড থেকে ‘কম্পারেটিভ পলিটিক্স’ এর উপর এমএসসি ডিগ্রী অর্জন করে দেশে ফিরে আসেন, জড়িয়ে পড়েন ব্যবসায়।

নিজেদের ব্যবসা দিয়েই কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। তার পর বাইশ-তেইশ বছরে অনেক কিছুই শিখেছেন তিনি। অনেক খারাপ সময়ও গেছে। ঠিকঠাকমতো লেগে ছিলেন বলেই একটা সময় টের পান, একটা শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে গেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী । জেমকন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি কোম্পানীর অর্থ, মানব সম্পদ, নীতি কার্যকর ব্যবস্থাপনার জন্য কৌশল এবং কাঠামোগত পর্যালোচনার মাধ্যমে তিনি কাজ করে চলেছেন ।

ব্যবসার বাইরেও বর্তমানে তিনি একজন রাজনীতিবিদ। ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার পিতা লেঃ কর্ণেল (অব:) কাজী শাহেদ আহমেদ যশোর-৩ সদর আসনে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করার মানসে মাঠে নামেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি নৌকার মনোনয়ন লাভে ব্যর্থ হয়ে চশমা প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ওই নির্বাচনে লড়াই করে শোচনীয় ভাবে পরাজিত হন। পিতার সেই ব্যর্থতাকে পুঁজি করে ২০০৩ সাল থেকে কাজী নাবিল আহমেদ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।  দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পিতার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে যশোর-৩ সদর আসন থেকে বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য। তিনি মনে করেন রাজনীতিতে নামলেই ভালোভাবে সব শ্রেণীর মানুষকে জানা যায় ।

ব্যবসার পাশাপাশি সংগঠনের খোঁজ-খবর করতে হয়, সংসদ সদস্য হিসেবেও আছে নানা দায়িত্ব। সবকিছু মিলিয়ে ব্যস্ততার মাঝেই কাটে তাঁর সময়। কাজের ক্ষেত্রে বাসা, অফিস সবই তাঁর কাছে একই। আর এত কিছুর সঙ্গে তাল মেলাতে প্রযুক্তি তাঁর বড় ভরসা।

ব্যবসাটা তাঁর জীবন-জীবিকার জন্য। কিন্তু রাজনীতির প্রতি অন্য রকম ভালোলাগা আছে তাঁর। বিশ্বাস করেন, সত্যি সত্যিই মানুষের জন্য কিছু করতে চাইলে রাজনীতির মাধ্যমে অনেক কিছু করা সম্ভব। আর মানুষের কল্যাণে কিছু করার চেয়ে গর্বের আর কী-ই বা আছে।

তাঁর প্রতিষ্ঠানে এখন প্রায় হাজার পাঁচেক কর্মী আছেন। তিনি তাঁদেরও নানা রকম প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। তাঁদের সুযোগ সুবিধাগুলোও দেখেন গুরুত্ব দিয়ে।

বাংলাদেশের নতুন সাংবাদিকতায় অগ্রনী ভুমিকা পালনকারী পত্রিকা ‘দৈনিক আজকের কাগজ’ এর নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তিনি পত্র পত্রিকায় নিয়মিত সম্পাদকীয় ও কলাম লেখেন। তিনি বর্তমানে ঢাকা ট্রিবিউন ও বাংলা ট্রিবিউন নামে দুটি পত্রিকার প্রকাশনার সাথে যুক্ত।

কাজী নাবিল আহমেদ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত আছেন। তিনি যশোরের বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যশোরবাসীর প্রণের দাবি ভৈরব নদ খনন কাজের প্রকল্প যশোর সদরের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজ, যশোরকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ঢাকা ক্লাব, ধানমন্ডি ক্লাব লিমিটেড ও কুর্মিটোলা গোলফ ক্লাবের সদস্য ।

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে কিভাবে দেশের খেলাধুলার মান উন্নয়ন করা যায়, কিভাবে বাংলাদেশের খেলাধুলাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া যায় এলক্ষ্যে তিনি বর্তমানে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি এপ্রিল ২০০৮ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচিত সহ-সভাপতি হিসেবে তৃতীয়বারের মতো দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ন্যাশনাল টিমস কমিটির চেয়ারম্যান, এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের ফুটসাল ও বিচ সকার কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত। তিনি ১৯৯৯ সাল থেকে দেশের অন্যতম শীর্ষ ক্লাব আবাহনীর সঙ্গে জড়িত রয়েছেন এবং ২০০৪ সাল থেকে তিনি ফুটবল দলের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি শহীদ ময়েন স্মৃতি সংসদ,যশোরের সভাপতি। তিনি গত দশ বছরে যশোর ফুটবল ও ক্রিকেট লীগে অংশগ্রহণ করে যশোরের ক্রীড়াঙ্গনে অবদান রাখেন। তিনি যশোরের ফুটবল, ক্রীকেট, ব্যাডমিন্টন, সাতার, টেবিল টেনিস টুর্নামেন্টে স্পন্সর করেছেন ।

শেখ কামাল ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণে তিনি ভুমিকা রাখেন। তাঁর বাবা কাজী শাহেদ আহমেদ ১৯৮৯ সাল থেকে আবাহনীর ডিরেক্টর পদে ছিলেন। কাজী নাবিল আহমেদ চেষ্টা করছেন দেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্লাবের সুনাম বৃদ্ধি করার। তিনি একসময় ফুটবলের জন্য পাগল ছিলেন, এখন সময় পেলে গলফ খেলেন। তাঁর শখ পড়া খেলাধুলা ও ভ্রমণ ।

কাজী নাবিল আহমেদ এর সহধর্মীনি ডা: মালিহা মান্নান আহমেদ গৃহিনী। পরিবারিক জীবনে তিনি এক ছেলে কাজী সাইরাস আহমেদ ও এক মেয়ে রাণিয়া সোফি আহমেদ এর জনক।

কাজী নাবিল আহমেদ একজন স্বচ্ছ রাজনীতিবিদ হিসেবে যশোরের সর্বমহলে পরিচিত। তিনি যশোর জেলা আওয়ামীলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য। এবারের নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন নিয়ে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের মুখোমুখি হন। শাহীন চাকলাদার সদর উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করে এই আসনে নৌকা প্রতীকে দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। একই সাথে তিনি দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে তার পদত্যাগপত্র গৃহিত না হওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাখিলকৃত শাহিন চাকলাদারের মনোনয়ন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বাতিল করে দেন। ফলে শেষ পর্যন্ত কাজী নাবিল আহমেদ আসনে নৌকার টিকিট নিশ্চিত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com