বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরনাম
অসুস্থ্য লতিফ সিদ্দিকী: মেডিকেল বোর্ড গঠন গাবতলীতে বিএনপিনেতা খোকার নামাজে জানাযা তালতলীতে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত গাজীপুর-২ আসনে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী সালাউদ্দিন সরকারের জনসংযোগ গাজীপুর-২ আসনে খাদিজা রাসেলের নির্বাচনী গণসংযোগ বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিলসহ ট্রাক উদ্ধার টঙ্গীতে মাদক চক্রের প্রধান ইমরানসহ গ্রেফতার-৬ টঙ্গীতে ঝিড়ি ঝিড়ি বৃষ্টির মধ্যে নৌকার প্রচারণা চালাছে টঙ্গী ছাত্রলীগ হামলা চালিয়ে হাতপাখার গণজাগরণে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না খুলনায় চরমোনাই পীর শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলেই ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মীদের ভাগ্য পরিবর্তন ঘটবে ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর দেবপুরে স্ত্রী ও ২ সন্তানকে হত্যা করে যুবকের আত্মহত্যা সারাদেশে সূর্য উঠেনি! সারাদিন গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্ট কুমিল্লায় ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন কুমিল্লায় আসছেন ফখরুল, রব কাদের সিদ্দিকী গাইবান্ধা জেলা পুলিশের কল্যাণ ও মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় গুচ্ছ গ্রামে বিদুত্যয়নের উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক সেবাস্টিন রেমা লোহাগড়ায় দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে বৃত্তি প্রদান রুহের মাগফিরাত কামনা ঝিনাইগাতীতে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১ ইন্দুরকানীতে নব বিবাহীত যুবকের বিদ্যুৎ স্পষ্ট হয়ে মৃত্যু পাইকগাছায় আমন চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: যশোর-২ একজন মেজর জেনারেল (অব:) নাসির উদ্দিন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: যশোর-২ একজন মেজর জেনারেল (অব:) নাসির উদ্দিন

মির্জা বদরুজ্জামান টুনু : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৮৬ যশোর-২ চৌগাছা ঝিকরগাছা আসনে নৌকার প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব:) মো: নাসির উদ্দিন। ওই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মনিরুল ইসলাম মনিরকে টপকে তিনি ওই আসনে দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করেন। ইতিমধ্যে তিনি এলাকায় ব্যপ আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। রাজনীতির ঝানু ঝানু প্লেয়ারকে পেছনে ফেলে কি করে জেনারেল নাসির নৌকা প্রতীক নিশ্চিত করলেন তা নিয়ে চলছে সরব আলোচনা। রাজনীতির ময়দানে নবীন এই প্রার্থীকে নিয়ে তাই ভোটারদের আগ্রহের কমতি নেই।
মেজর জেনারেল(অব:) মো: নাসির উদ্দিন ১৯৫৫ সালের ১লা জানুয়ারী যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানার ডহর মাগুরা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন । তাঁর পিতা সৈয়দ আলী বকস মাগুরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন । মায়ের নাম বেগম খাইরুন নেছা ।
মেজর জেনারেল ডাঃ মো. নাসির উদ্দীন (অবঃ) ১৯৬৯ সালে যশোর মুসলিম একাডেমী থেকে ১ম শ্রেণীতে এসএসসি , ১৯৭১ সালে যশোর সরকারী এমএম কলেজ থেকে ১ম শ্রেীণীতে এইচএসসি, ১৯৮০ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ও ১৯৯৬ সালে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব প্রিভেনটিভ ও সোসাল মেডিসিন ঢাকার মহাখালী থেকে মাস্টার্স ইন পাবলিক হেলথ এবং একই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০০৫ সালে এম পিল ডিগ্রী অর্জন করেন ।
তিনি১৯৭০ সালে যশোর এমএম কলেজ ছাত্র সংসদে ছাত্রলীগ থেকে নির্বাচিত সদস্য ছিলেন । ১৯৭৪ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে দায়িত্ত¡ পালন করেন ।
মেজর জেনারেল ডাঃ মো. নাসির উদ্দীন (অবঃ) ১৯৮২ সালের ১৬ জুন থেকে ১৯৯৪ সালের ১১ মে পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটে কাজ করেন ।
এসময় তিনি মেডিকেল উপদেষ্টা এবং একজন প্রশাসক হিসেবে বিভিন্ন চিকিৎসা ইউনিট প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ত¡প‚র্ণ অবদান এবং ভূমিকা রাখেন ।
১৯৯৪ সালের ১২ মে থেকে ১৯৯৫ সালের ১৯ ডিসেম্বও পর্যন্ত তিনি লজিষ্টিক অপিসার লেভেল-২ মোজাম্বিক এ দায়িত্ত¡ পালন করেন ।
এসময় তিনি জাতিসংঘের লেভেল-২ হাসপাতাল এবং মোজাম্বিকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী ও জনগণের সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করেন ।
১৯৯৫ সালের ২০ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বও পর্যন্ত সিএমএইচ,যশোরের সহকারী অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ত¡ পালন করেন ।
এসময় তিনি হাসপাতালের সার্বিক বিষয় দেখাশোনা করা এবং রোগীর চিকিৎসা সেবার উন্নয়নে কাজ করেন ।
১৯৯৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৯৭ সালের ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত পদাতিক ডিভিশন (মেডিকেল সার্ভস) এর উপসহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ত¡ পালন করেন ।
এসময় তিনি ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের সদর দপ্তরের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ত¡ পালনসহ চিকিৎসা সেবা ও হাসপাতাল সরঞ্জামাদিও সঠিক সার্ভিস তদারকি করেন ।
১৯৯৭ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে ২০০০ সালের ২৭ মে পর্যন্ত ৪১ ফিল্ড এ্যাম্বুলেন্সে কমাÐিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ত¡ পালন করেন এবং হাসপাতালে গুরুতর রোগীর চিকিৎসার জন্য যথাযথ চিকিৎসা হচ্ছে কিনা তা দেখাশোনা করেন ।
২০০০ সালের ২৮ মে থেকে ২০০১ সারের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিএমএইচ ঢাকা মেডিকেল উইং এর কমাÐিং অফিসার হিসেবে হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টও এবং কমাÐিং অফিসার হিসেবে সামগ্রিক দায়িত্ত¡ পালন সহ সিএমএইচ এর সকল চিকিৎসা বিভাগের দেখাশোনা করেন ।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০০৩ সালের ৩০ জুলাই পর্যন্ত আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ষ্টোরস ডিপোর কমাÐিং অফিসার হিসেবে সামগ্রিক দাযিত্ত¡ গ্রহণ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী,নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীতে ঔষধ ও সরঞ্জামাদি সরবরাহ নিশ্চিতে কাজ করেন ।
২০০৩ সালের ৩১ জুলাই থেকে ২০০৫ সারের ৪ অক্টোবর পর্যন্ত আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইনষ্টিটিউটে ‘এমফিল’ প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং প্রতিষেধক ও মেডিসি নের উপর ‘এমফিল’ কোর্স সম্পন্ন করন ।
২০০৫ সালর ৫ অক্টোবর থেকে ২০০৭ সালের ১৮ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশ মেডিকেল-১ (ব্যানমেড) আনমিস,সুদানের সহকারী সেনা অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ত¡ পালন কালে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে সুদানের একটি হাসপাতালে ‘চিকিৎসা পরিচালক’ হিসেবে দায়িত্ত¡ পালন সহ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী হিসেবে ‘মোজাম্বিকে’ দায়িত্ত¡ পালন । যুদ্ধ ও বিধ্বস্থ এলাকায় এসময় তিনি জনগণের মাঝে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন ।
২০০৭ সালের ১৯ মার্চ থেকে ২০০৮ সালের ২৪ মে পর্যন্ত বাংলাদেশ মেডিকেল-১ (ব্যানমেড-১) আনমিস,সুদানের সহকারী সেনা অধিনায়ক হিসেবে হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টও হিসেবে দায়িত্ত¡ পালন করেন ।
২০০৮ সালের ১৫ মে থেকে ২০০৯ সারের ১০ আগস্ট পর্যন্ত সিএমএইচ , ঢাকার ডেপুটি সেনা নায়ক হিসেবে দায়িত্ত¡ পালন কালে মেডিকেল ডিরেক্টর হিসেবে মিলিটারী হাসপাতালে দাযিত্ত¡ পালনসহ ক্লিনিক্যালি কার্য্যক্রম কার্যকারীর জন্য সব বিভাগের সমন্বয়ের মাদ্যমে কাজ সম্পন্ করেন ।
২০০৯ সালের ১১ আগষ্ট থেকে ২০১০ সালের ১৩ জুলাই পর্যন্ত মেডিকেল সার্ভিস বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের পরিচালক হিসেবে প্লানিং, ব্যাবস্থাপনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং মেডিকেল ষ্টোর ও যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, হাসপাতালে উন্নতমানের চিকিৎসা ,ঔষধ,চিকিৎসা সরন্জামাদি এবং পরিচ্ছন্ন ট্রেনিং নিশ্চিত করতে বিশেষ অবদান রাখেন ।
২০১০ সারের ১৪ জুলাই থেকে ২০১২ সালের ৩ জানুয়ারী ঢাকা সিটি করপোরেশনের চীফ হেলথ অফিসার হিসেবে দায়িত্ত¡ পালন করেন ।
এসময় তিনি চাইল্ড হসপিটালের এ ‘ব্যাবস্থাপনা পরিষদে এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের জেনারেল হাসপাতাল ও মেটারনিটি হাসপাতালে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ত¡ পালন করেন ।
২০১২ সারের ৪ জানুয়ারী থেকে ২০১৫ সারের ৭ ই আগষ্ট পর্যন্ত আর্মি হেডকোয়াটার্স, ঢাকার পরিচালক(মেডিকেল সার্ভিসেস) হিসেবে সিএমএইচ সহ বাংলাদেশ আর্মি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সকল হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতকরন,প্লানিং,ব্যবস্থা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিশেষ ভ’মিকা রাখেন ।
তিনি ২০১২ সালের ৮ই আগষ্ট থেকে ২০১৫ সারের ১ লা ডিসেম্বর পর্যন্ত আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষও সেনা নায়ক হিসেবে প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম দেখাশোনা করেন । এসময় তিনি মেডিকেল কোরের সার্বিক বিষয়ে বিষয়ে দায়িত্ত¡ পালন সহ ৫টি আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় বিশেষ আবদান রাখেন । তিনি ওই বছরের ডিসেম্বরে মেজর জেনারেল হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।
২০১৫ সালের ১ লা ডিসেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ১ লা সেপ্টেম্বও পর্যন্ত ল্যাব এইড গ্রæপের ল্যাবএইড এর ডায়াগনষ্টিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ত¡ পালন করেন ।
২০১৬ সারের ১লা সেপ্টেম্বও থেকে অদ্যাবধি মার্কস মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রিন্সিপাল হিসেবে দাযিত্ত¡ পালন করে চলেছেন ।
তিনি বিভিন্ন সময়ে আর্মি মেডিকেল কোর সেন্টার এÐ স্কুল , রাজশাহী সেনানিবাস থেকে অফিসার্স বেসিক কোর্স পার্ট-১, আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইনষ্টিটিউট থেকে অফিসার্স বেসিক কোর্স পার্ট-২, আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইনষ্টিটিউট থেকে হসপিটাল এ্যাডমিনিস্ট্রেশন কোর্স, আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইনষ্টিটিউট থেকে আর্মি অফিসার্স এ্যাডমিনিস্ট্রেশন কোর্স-৫ এবং নেভাল ডাইভিং এÐ ট্রেনিং সেন্টার পানামা সিটি, ফ্লোরিডা, ইউএসএ এÐ নেভাল আÐার সি মেডিকেল ইনস্টিটিউট ,ইউএসএ থেকে মেডিকেল ডির্প্টামেন্ট ডাইভিং অফিসার এÐ ইন্টারন্যাশনাল আÐার সি মেডিকেল অফিসাসৃ কোর্স সম্পন্ করেন ।
এছাড়া তিনি গবেষণা ও প্রকাশনার সাথে জড়িত ।
তিনি মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ত¡ ও সাহসিকতার জন্য সমর পদক, জয় পদক, রণ তারকা পদক প্রাপ্ত , জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শান্তি রক্ষী হিসেবে দায়িত্ত¡ পালন করায় ইউএস পিস মেডেল (মোজাম্বিক ও সুদান) প্রাপ্ত, বর্ডাও গার্ড বাংলাদেশে কর্মরত থাকা কালীন ২০১১ সালে সাহসিকতা ও কৃতিত্ত¡প‚র্ণ কাজের জন্য প্রেসিডেন্ট বর্ডার গার্ড পদক প্রাপ্ত হন ।
তিনি অর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইনষ্টিটিউটে অথিতি বক্তা হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণ করেন, বিএনএস ঈসা খান, চট্টগ্রামের ড্রাইভিং স্কুল এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষক/উপাধ্যক্ষ হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন , জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা বিধি ও আদেশ তৈরিতে অবদান রাখেন এবং শহুরে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনা শহুওে স্বাস্থ্য প্রকল্প উন্নয়নে ভ’মিকা রাখেন । তিনি ১৯৭১ সালে ছাত্রাবস্থায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে ৮ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন ।
তার স্ত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধাপক ডাঃ রওশন আরা স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ(সাচিপ) এর সক্রিয় সদস্য । পুত্র রাফাত বিন নাসির (ইভান) ট্রাস্ট ব্যাংক লি. এ অফিসার হিসেবে এবং রাশিক বিন নাসির (সিসান) নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ অধ্যায়ণরত ।
সর্বশেষ তিনি নাম লেখান জাতীয় রাজনীতিতে। চলতি বছরের শুরুর দিকে তিনি মেডিকেল ক্যাম্প করার মাধ্যমে যশোর তথা নিজের এলাকায় যান। পরিচিত হন স্থানীয়দের সাথে। পাশাপাশি চলে তার রাজনৈতিক কর্মকান্ড। এক পর্যায়ে তিনি আওয়ামীলীগে যোগদান করে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ক্লিন ইমেজের অধিকারী জেনারেল নাসিরের প্রতি তাদের সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেন। তার পরই তিনি দলীয় মনোনয়নের জন্য আবেদন নিবেদন শুরু করেন। এক সময়ের তুখোড় ছাত্র নেতা ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাক এ্যাড. মনিরুল ইসলাম মনিরকে পেছনে ফেলে মনোনয়ন দৌড়ে তিনি জিতে নেন নৌকা। আসন্ন নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী জামাত নেতা মুহাদ্দিস আবু সাঈদের ধানের শীষ প্রতীকের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা আওয়ামীলীগের ঘাটি হিসেবে চিহ্নিত এই নির্বাচনী আসনে এবারও নৌকার প্রার্থী জেনারেল নাসির বিপুল ভোটে জয় লাভ করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com