বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ১০:১০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরনাম
গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা প্রয়োজন তরুণদের মধ্যে বেকারত্ব উদ্বেগজনক বিদ্যুতে দক্ষিণ কোরীয় বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৪ দলের আহ্বান ভারত কী আমাদের জিতিয়ে দিতে পারবে: কাদের বাংলাদেশে স্কাইপ বন্ধ ‘স্কাইপ বন্ধ করে সরকার ঘৃণ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো’ শীতকালীন সবজিচাষে খুশি পঞ্চগড়ের কৃষকরা চলনবিলে নিভু নিভু করছে চাকা তৈরির পেশা নির্ভুল পথেই হাঁটছেন এরশাদ’ ‘পুলিশকে অ্যাকশনে নেয়ার উদ্দেশ্য ছিল সংঘর্ষের পরিকল্পনাকারীদের’ সেই হেলমেটধারী গ্রেফতার কার্জন হলের সামনে থেকে নবজাতক উদ্ধার ইভিএম নিয়ে সক্রিয় হচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নীতিমালার বাইরে গেলে পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন বাতিল: ইসি সচিব হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ ফেলে পালালেন স্বামী এরশাদ ঢাকায়, না রংপুরে সিংহভাগ ইসলামী দল ক্ষমতাসীন দলে ‘ঘটনা ঘটলেও তদন্ত কমিটি করেনি ইসি’ দখল ও কারচুপি ঠেকাতে কেন্দ্র পাহারার নির্দেশ
এলেঙ্গায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

এলেঙ্গায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার এলেঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের ভিতরে কোচিং বাণিজ্য ,সংস্কারের নামে অনিয়ম, নিয়মবহির্ভূতভাবে খন্ডকালীন কর্মচারী নিয়োগসহ প্রধান শিক্ষিকা বেআইনিভাবে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে সকাল ৭:৩০ মিনিট থেকে ৯:৩০ মিনিট পর্যন্ত কোচিং বাণিজ্যের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে শতশত টাকা । বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিপুর বলে আমরা কোচিং বাবদ প্রতি মাসে ৫০০ টাকা ম্যাডামকে দেই। এছাড়াও বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আমেনা বেগমের নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের ভিতর সকাল ও সন্ধ্যাকালীন সময়ে কোচিং ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর অভিভাবক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান বিদ্যালয়ের ভিতর কোচিং বাণিজ্য বন্ধে উপজেলা , জেলা কর্তৃপক্ষ ও প্রেসক্লাব বরাবর অভিযোগ করে প্রধান শিক্ষিকা বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও বিদ্যালয়ের পড়া লেখার পরিবেশ তৈরির দাবি জানিয়েছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুবর্ণা ভৌমিক সাংবাদিকদের বলেন, বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে কথা বলেই আমি কোচিং চালিয়ে যাচ্ছি। এলেঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন বিদ্যালয়ে কোচিং করানো হয় এ বিষয়ে আমি অবগত। কিন্তু টাকা নেওয়া হয় এ বিষয়ে আমি অবগত নই। আমি প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। উপজেলা শিক্ষা অফিসার লুৎফর রহমানের বলেন আমি তদন্তের জন্য সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছি। উপজেলা নির্বাবহী অফিসার মোছাম্মৎ শাহীনা আক্তার বলেন, কেউ আইনের উর্ধ্বে নয় অতিদ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। (চলবে)…

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com