বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরনাম
গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা প্রয়োজন তরুণদের মধ্যে বেকারত্ব উদ্বেগজনক বিদ্যুতে দক্ষিণ কোরীয় বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৪ দলের আহ্বান ভারত কী আমাদের জিতিয়ে দিতে পারবে: কাদের বাংলাদেশে স্কাইপ বন্ধ ‘স্কাইপ বন্ধ করে সরকার ঘৃণ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো’ শীতকালীন সবজিচাষে খুশি পঞ্চগড়ের কৃষকরা চলনবিলে নিভু নিভু করছে চাকা তৈরির পেশা নির্ভুল পথেই হাঁটছেন এরশাদ’ ‘পুলিশকে অ্যাকশনে নেয়ার উদ্দেশ্য ছিল সংঘর্ষের পরিকল্পনাকারীদের’ সেই হেলমেটধারী গ্রেফতার কার্জন হলের সামনে থেকে নবজাতক উদ্ধার ইভিএম নিয়ে সক্রিয় হচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নীতিমালার বাইরে গেলে পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন বাতিল: ইসি সচিব হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ ফেলে পালালেন স্বামী এরশাদ ঢাকায়, না রংপুরে সিংহভাগ ইসলামী দল ক্ষমতাসীন দলে ‘ঘটনা ঘটলেও তদন্ত কমিটি করেনি ইসি’ দখল ও কারচুপি ঠেকাতে কেন্দ্র পাহারার নির্দেশ
লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হবে সুপারবাগে!

লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হবে সুপারবাগে!

বর্হিবিশ্ব ডেস্ক : ইউরোপে বসবাসকারী লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হবে সুপারবাগে! দ্য অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি) আজ বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে দিয়ে বলছে, উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে সুপারবাগের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ২৪ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, সুপারবাগের কারণে ‘সাংঘাতিক বিপর্যয়’-এর মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ওইসিডি বলছে, দরকারি নয় এমন অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা না হলে এবং জনস্বাস্থ্য ও হাসপাতালের মৌলিক স্বাস্থ্যবিধির পেছনে ব্যয় না বাড়ালে, পরিণাম মারাত্মক হতে পারে। সুপারবাগ হলো অ্যান্টিবায়োটিক সহনশীল ব্যাকটেরিয়া। এসব ব্যাকটেরিয়াকে প্রচলিত অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দিয়ে ঠেকানো যায় না। ২০১৫ সালে সুপারবাগের আক্রমণে শুধু ইউরোপেই ৩৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ওইসিডি তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলেছে, ২০৫০ সালের মধ্যে সুপারবাগের আক্রমণে ২৪ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, অ্যান্টিবায়োটিক-সহনশীল ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের চিকিৎসায় বিপুল ব্যয় হবে। প্রতিটি দেশের এই খাতে গড়ে বছরে প্রায় তিন বিলিয়ন ইউরো করে খরচ হবে। ওইসিডির গবেষক দল জানিয়েছে, সুপারবাগে সংক্রমণের ব্যয় সাধারণ জ্বর বা এইচআইভি সংক্রমণের চেয়ে অনেক বেশি। আর বিভিন্ন দেশ এ ব্যাপারে সঠিক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ না নেওয়ায় খরচ আরও বাড়ছে। নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে সুপারবাগ আরও অপ্রতিরোধ্য রূপে দেখা দিতে পারে। গবেষকেরা বলছেন, ইন্দোনেশিয়া ও ব্রাজিলে এ ধরনের ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের হার ৬০ শতাংশ। আর এসব ব্যাকটেরিয়া ন্যূনতম একটি অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের প্রতি সহনশীল। আগে এসব অ্যান্টিবায়োটিককে ওই নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া ঠেকানো গেলেও, এখন আর যায় না।

ওইসিডির গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুপারবাগের কারণে রান্নার সময় হাত কেটে যাওয়া বা নিউমোনিয়ার মতো অসুখও জীবনের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের অপরিকল্পিত ও অতিরিক্ত ব্যবহারই এর কারণ বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com