বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ১০:১২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরনাম
গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা প্রয়োজন তরুণদের মধ্যে বেকারত্ব উদ্বেগজনক বিদ্যুতে দক্ষিণ কোরীয় বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৪ দলের আহ্বান ভারত কী আমাদের জিতিয়ে দিতে পারবে: কাদের বাংলাদেশে স্কাইপ বন্ধ ‘স্কাইপ বন্ধ করে সরকার ঘৃণ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো’ শীতকালীন সবজিচাষে খুশি পঞ্চগড়ের কৃষকরা চলনবিলে নিভু নিভু করছে চাকা তৈরির পেশা নির্ভুল পথেই হাঁটছেন এরশাদ’ ‘পুলিশকে অ্যাকশনে নেয়ার উদ্দেশ্য ছিল সংঘর্ষের পরিকল্পনাকারীদের’ সেই হেলমেটধারী গ্রেফতার কার্জন হলের সামনে থেকে নবজাতক উদ্ধার ইভিএম নিয়ে সক্রিয় হচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নীতিমালার বাইরে গেলে পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন বাতিল: ইসি সচিব হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ ফেলে পালালেন স্বামী এরশাদ ঢাকায়, না রংপুরে সিংহভাগ ইসলামী দল ক্ষমতাসীন দলে ‘ঘটনা ঘটলেও তদন্ত কমিটি করেনি ইসি’ দখল ও কারচুপি ঠেকাতে কেন্দ্র পাহারার নির্দেশ
আইএসের তাণ্ডব, ইরাকে ২ শতাধিক গণকবর আবিষ্কার

আইএসের তাণ্ডব, ইরাকে ২ শতাধিক গণকবর আবিষ্কার

বর্হিবিশ্ব ডেস্ক : ইরাকে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকাগুলোতে ২ শতাধিক গণকবর ও তাতে হাজার হাজার মরদেহ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা ও ইউএন অ্যাসিস্ট্যান্স মিশনের তৈরি এক প্রতিবেদনে ২০২টি গণকবরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ইরাকের উত্তর ও পশ্চিমের নিনেভেহ, কিরকুক, সালাহ আল-দিন ও আনবার এলাকায় এসব গণকবর পাওয়া যায়। এসব গণকবরে ঠিক কতজনের মৃতদেহ রয়েছে, তা নির্ধারণ করা কঠিন। মসুলে অবস্থিত সবচেয়ে ছোট গণকবরটিতে আটটি মৃতদেহ রয়েছে। আবার মসুলের দক্ষিণে খাসফায় সবচেয়ে বড় গণকবরটিতে রয়েছে কয়েক হাজার মৃতদেহ। প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব কবর থেকে আইএসে নৃশংস অপরাধের ব্যাপকতার মাত্রা নির্ধারণ করা যাবে। ‘আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ার স্ট্যান্ডার্ড মেনে এসব গণকবর থেকে পাওয়া তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত, বিচার, ও রায় নিশ্চিত করা যাবে,’ বলা হয় প্রতিবেদনে। এ ছাড়া নিহতদের সনাক্ত করে তাদের পরিবারের কাছে এসব ফিরিয়ে দেয়া যাবে বলেও উল্লেখ করা এতে। ২০১৪ সালে সশস্ত্র জঙ্গি সংগঠন আইএস ইরাকের বিশাল এক এলাকা দখল করে নেয়। এসব এলাকার মধ্যে ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মসুলও ছিল। এরপর ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তারা নতুন নতুন এলাকা দখল করতে থাকে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সময়ে আইএস ব্যাপক সহিংসতা ও পদ্ধতিগতভাবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও আইন লঙ্ঘন করতে থাকে। এসব অপরাধ অনেক ক্ষেত্রেই যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যার সামিল ছিল। এ সময় নিখোঁজদের ভাগ্যে কী ঘটেছিল তা নিশ্চিত হতে হিমশিম খাচ্ছে অনেক পরিবার। বর্তমানে তাদের পাঁচটি আলাদা আলাদা সরকারি এজেন্সিতে আবেদন করতে হয়। শোকাহত পরিবারগুলোর জন্য এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত সময় সাপেক্ষ এবং হতাশাজনক।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com