বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরনাম
অসুস্থ্য লতিফ সিদ্দিকী: মেডিকেল বোর্ড গঠন গাবতলীতে বিএনপিনেতা খোকার নামাজে জানাযা তালতলীতে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত গাজীপুর-২ আসনে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী সালাউদ্দিন সরকারের জনসংযোগ গাজীপুর-২ আসনে খাদিজা রাসেলের নির্বাচনী গণসংযোগ বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিলসহ ট্রাক উদ্ধার টঙ্গীতে মাদক চক্রের প্রধান ইমরানসহ গ্রেফতার-৬ টঙ্গীতে ঝিড়ি ঝিড়ি বৃষ্টির মধ্যে নৌকার প্রচারণা চালাছে টঙ্গী ছাত্রলীগ হামলা চালিয়ে হাতপাখার গণজাগরণে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না খুলনায় চরমোনাই পীর শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলেই ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মীদের ভাগ্য পরিবর্তন ঘটবে ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর দেবপুরে স্ত্রী ও ২ সন্তানকে হত্যা করে যুবকের আত্মহত্যা সারাদেশে সূর্য উঠেনি! সারাদিন গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্ট কুমিল্লায় ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন কুমিল্লায় আসছেন ফখরুল, রব কাদের সিদ্দিকী গাইবান্ধা জেলা পুলিশের কল্যাণ ও মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় গুচ্ছ গ্রামে বিদুত্যয়নের উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক সেবাস্টিন রেমা লোহাগড়ায় দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে বৃত্তি প্রদান রুহের মাগফিরাত কামনা ঝিনাইগাতীতে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১ ইন্দুরকানীতে নব বিবাহীত যুবকের বিদ্যুৎ স্পষ্ট হয়ে মৃত্যু পাইকগাছায় আমন চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন
মসুলের চূড়ান্ত যুদ্ধে প্রাণহানি ১১ হাজার

মসুলের চূড়ান্ত যুদ্ধে প্রাণহানি ১১ হাজার

 


ইসলামিক স্টেটের (আইএস) কাছ থেকে ইরাকের মসুল শহর পুনর্দখলে নিতে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে সেখানকার বাসিন্দাদের। চূড়ান্ত ওই যুদ্ধে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যা বলা হয়েছিল, বাস্তবে তার চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি। ৯ মাসের ওই যুদ্ধে ৯ থেকে ১১ হাজার বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। ইরাকে বিমান, গোলা ও মর্টার হামলা নিয়ে কাজ করা স্বাধীন সংগঠন এয়ারওয়ার থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পেয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। বিষয়টি নিশ্চিত হতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ইরাক বডি কাউন্ট ও জাতিসংঘের প্রতিবেদনও বিশ্লেষণ করে এপি।

ইরাকের নিজস্ব বাহিনী ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা বাহিনী আইএস হটানো ওই যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে আইএস যোদ্ধারা পরাজিত হওয়ার আগ পর্যন্ত (জুলাই ২০১৭) ইরাকি ও জোট বাহিনীর বিমান, কামান ও মর্টার হামলায় ৩ হাজার ২০০ সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনার অধিকাংশকে ‘দুর্ঘটনা’ বলে অভিহিত করা হয়েছে ইরাকের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে। যদিও ইরাকের জোট বাহিনীর দাবি, তাদের হামলায় শুধু ৩২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে তারা স্বীকারও করেছে, এসব ঘটনা তদন্তের জন্য পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তা মসুলে পাঠানো যায়নি।

এপিকে তথ্য শেয়ারকারী সংগঠন এয়ারওয়ারের প্রধান ক্রিস উড বলেন, ‘কয়েক প্রজন্মের মধ্যে মসুলে এটাই সবচেয়ে বড় প্রাণহানির ঘটনা। এই হতাহতের জন্য সবচেয়ে দায়ী আইসিস (আইএস)। আর এসব ঘটনার তদন্তে অনীহা প্রকাশ আমাদের ব্যাপক মর্মাহত করেছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com