সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০১৯, ০৮:০৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত গরিবের ৪০ বস্তা চালসহ আ.লীগ নেতা আটক পাসপোর্ট অফিসে কথা বলে ধরা খেলেন চার রোহিঙ্গা নারী কুড়িগ্রামে কনসার্টে অর্ধশতাধিক মাদক ব্যবসায়ীর আত্মসমর্পণ ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে তিন বছর ধরে ভাতিজিকে ধর্ষণ গ্রীন লাইফ হাসপাতালে শিশুর নাড়িভুড়ি বের করে ফেললেন ডাক্তার শিক্ষার্থীরা বানালো বঙ্গবন্ধুর ৩০০০ বর্গফুট প্রতিকৃতি বগুড়ায় বিএনপি নেতা শাহীনকে হত্যার দায় স্বীকার করলেন পায়েল ৪৩ দিন কারাভোগ শেষে জামিন পেলেন হিরো আলম প্যানেল মেয়রের নির্দেশে বিএনপি নেতা শাহীন খুন! ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ময়মনসিংহের মেয়র টিটু কারাগার থেকে হাসপাতালে বাবর ভাগনির বাসায় খালাকে গণধর্ষণ সিলেট চলচ্চিত্র উৎসব ২৩ এপ্রিল, স্বাগত জানালেন তারকারা ভাইকে অপহরণ, ভাইসহ ৫ জনের যাবজ্জীবন খাগড়াছড়িতে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা পাহাড়ে রঙিন উৎসব জলে ফুল ভাসিয়ে পাহাড়ে বৈসাবি উৎসব শুরু বাঘাইছড়িতে ব্রাশফায়ারের ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু
মসুলের চূড়ান্ত যুদ্ধে প্রাণহানি ১১ হাজার

মসুলের চূড়ান্ত যুদ্ধে প্রাণহানি ১১ হাজার

 


ইসলামিক স্টেটের (আইএস) কাছ থেকে ইরাকের মসুল শহর পুনর্দখলে নিতে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে সেখানকার বাসিন্দাদের। চূড়ান্ত ওই যুদ্ধে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যা বলা হয়েছিল, বাস্তবে তার চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি। ৯ মাসের ওই যুদ্ধে ৯ থেকে ১১ হাজার বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। ইরাকে বিমান, গোলা ও মর্টার হামলা নিয়ে কাজ করা স্বাধীন সংগঠন এয়ারওয়ার থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পেয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। বিষয়টি নিশ্চিত হতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ইরাক বডি কাউন্ট ও জাতিসংঘের প্রতিবেদনও বিশ্লেষণ করে এপি।

ইরাকের নিজস্ব বাহিনী ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা বাহিনী আইএস হটানো ওই যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে আইএস যোদ্ধারা পরাজিত হওয়ার আগ পর্যন্ত (জুলাই ২০১৭) ইরাকি ও জোট বাহিনীর বিমান, কামান ও মর্টার হামলায় ৩ হাজার ২০০ সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনার অধিকাংশকে ‘দুর্ঘটনা’ বলে অভিহিত করা হয়েছে ইরাকের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে। যদিও ইরাকের জোট বাহিনীর দাবি, তাদের হামলায় শুধু ৩২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে তারা স্বীকারও করেছে, এসব ঘটনা তদন্তের জন্য পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তা মসুলে পাঠানো যায়নি।

এপিকে তথ্য শেয়ারকারী সংগঠন এয়ারওয়ারের প্রধান ক্রিস উড বলেন, ‘কয়েক প্রজন্মের মধ্যে মসুলে এটাই সবচেয়ে বড় প্রাণহানির ঘটনা। এই হতাহতের জন্য সবচেয়ে দায়ী আইসিস (আইএস)। আর এসব ঘটনার তদন্তে অনীহা প্রকাশ আমাদের ব্যাপক মর্মাহত করেছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 jonotarbangla.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com